You are here
Home > রিসার্চ > রিসার্চ বা গবেষনা (The Problem Definition Process)

রিসার্চ বা গবেষনা (The Problem Definition Process)

Spread the love

The Problem Definition Process

কোনো কিছুতে সমস্যা আছে, এটা আমরা কখন বুঝতে পারি!
যখন বর্তমান সিচুয়েশনের সাথে এক্সপেক্টেড কোনো সিচুয়েশনের একটা গ্যাপ বা পার্থক্য দেখতে পাই, তখনই কিন্তু আমরা ধরে নেই এখানে অবশ্যই কোনো সমস্যা আছে, যার কারণে আমি আমার এক্সপেক্টেড রেজাল্ট পাচ্ছি না।

যেমন, প্রত্যেকটা বিজনেসের নির্দিষ্ট কিছু টার্গেটেড গোল সেট করা থাকে। সেলস, প্রফিট মার্জিন কেমন হতে পারে ম্যানেজমেন্ট লেভেল এগুলোর এক্সপেক্টেড একটা রেজাল্ট ধরে রাখে।

সেই টার্গেট ফুলফিল করতে কোম্পানি ব্যর্থ হলে বিজনেসে সমস্যা আছে বলে ধরে নেয়া হয়, যার জন্য টার্গেট অনুযায়ী রেজাল্ট আসছে না। তখনই সেই সমস্যা খুঁজে বের করতে কাজ করে ম্যানেজমেন্ট।

অনেক সময় বিজনেসের পূর্ববর্তী বছরগুলোতে কেমন প্রফিট হয়েছে সেটা দেখে, সেই অনুযায়ী আগামী বছর কেমন প্রফিট হতে পারে ধরে নেয় কোম্পানি।

তবে সেই এক্সপেক্টেশন সব সময় বিজনেস ফিলআপ করতে পারেনা, কেনো পারে না সেটাই হলো সমস্যা, যাকে রিসার্চের মাধ্যমে খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

আবার দেখা যায়, কোনো ম্যানেজার অবাস্তব আইডিয়া করে নেয়, যা পজিটিভ বা নেগেটিভ হয়ে পারে। মানে ধরে নেয়, বিজনেস অনেক বেশি প্রফিট করবে বা অনেক বেশি লস করবে।

এই ধরনের আইডিয়া করে থাকে প্ল্যানিং এ কোনো সমস্যা থাকলে। সঠিকভাবে এনালাইসিস না করে কোনো টার্গেট সেট করলে সেটায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য এবং সমস্যা বের করার জন্যই তাই রিসার্চ করা হয়।

এসব সমস্যা এড়াতেই কোনো কোম্পানি নতুন কোনো প্রোডাক্ট বাজারে ছাড়ার আগে রিসার্চ করে নেয়।

The Problem Definition Process Steps

** Understand the Business Decision:

রিসার্চ এর জন্য ক্লিয়ার সমস্যা চিহ্নিত করতে রিসার্চার আর ম্যানেজাররা প্রথমে মিটিং করে, বিজনেসের সব ধরনের ডাটা একসাথে করে আলোচনা পর্যালোচনা করে সিচুয়েশনটা বোঝার চেষ্টা করে।

*** Interview Process:

রিসার্চার রা ম্যানেজার এবং শেয়ার হোল্ডারদের সাথে কুয়েশ্চন আনসার সেশনের মাধ্যমে সম্ভাব্য সমস্যা এবং সুযোগগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। একই প্রশ্ন বিভিন্নভাবে করে একচুয়াল উত্তর বের করার চেষ্টা করে Who, what, where, when, how, whom, why ইত্যাদি সংযুক্ত করার মাধ্যমে।

এর ফলে প্রথমে অনেকগুলো অলটারনেটিভ প্রব্লেম স্টেটমেন্ট রিসার্চার রা ডেভেলপ করে। সেই সমস্যাগুলো থেকে উত্তরণের জন্য সম্ভাব্য কিছু সমাধানের কথা চিন্তা করে।

** Identifying Symptoms:

*** Probing:

এটাও একটা ইন্টারভিউ টেকনিক, যা প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে খুব গভীর আলোচনা পর্যালোচনা করে ডিটেইলসভাবে একটা এক্সপ্লানেশন লেখা হয়।

সিম্পটম মানেই আমরা বুঝি কোনো সমস্যার পূর্বাভাস। সিম্পটমগুলো খুঁজে বের করতে পারলেই সমস্যা বোঝা করা সহজ হয়। ডাক্তার যেমন সিম্পটম জেনে রোগ বোঝার চেষ্টা করে।

** Identitying the Relevant Issues from the Symptoms:

সিম্পটমগুলো বোঝার পর সেগুলোর সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলোও বের করা যায়।

যেমনঃ ধরা যাক, কোনো একটা কোম্পানির বিজ্ঞাপন খুব একটা কাজে লাগছে না। তখন এর সম্ভাব্য কারণ হতে পারে – কোম্পানির ব্র‍্যান্ডিং ঠিকভাবে করা হয় নি, তাই এটা সম্পর্কে মানুষ কম জানে। বিজ্ঞাপন সম্প্রচারের জন্য সঠিক মিডিয়াকে বেছে নেয়া হয় নি, অথবা কম বাজেটে নিম্নমানের বিজ্ঞাপন তৈরী করা হয়েছে।

** Writing Managerial Decision Statements & Corresponding Research objectives:

উপরোক্ত ধাপগুলোর মাধ্যমে সিচুয়েশন এনালাইসিস শেষ হবে ডিসিশন স্টেটমেন্ট এবং রিসার্চ অব্জেক্টিভ তৈরীর মাধ্যমে। ডিসিশন স্টেটমেন্ট এর মাধ্যমে রিসার্চ অবজেক্টিভ এবং প্রব্লেমকে ক্লিয়ারলি ব্যাখ্যা করা হয়। ডিসিশন স্টেটমেন্টই বলে দিবে রিসার্চের জন্য পরবর্তী কাজগুলো কি হবে, একে কিভাবে সাজাতে হবে।

** Determine the Unit of Analysis:

ইউনিট এনালাইসিসের মাধ্যমে ঠিক করা হয় রিসার্চের জন্য কি ধরনের ডাটা কালেক্ট করতে হবে এবং কাদের কাছে সেই ডাটাগুলো পাওয়া যাবে। বিজনেসের প্রোডাকশন লেভেলের কোনো সমস্যা বের করতে কি শুধু এই সেক্টরের ওয়ার্কারদের ইন্টারভিউ নিবে, নাকি প্রত্যেকটা বিজনেস ইউনিটের এমপ্লদের ইন্টারভিউ নিবে, এই সিদ্ধান্ত খুব কেয়ারফুললি এবং ক্রিয়েটিভলি নিতে হবে।

** Determine Relevant Variable:

যা পরিবর্তিত হয় তাই ভ্যারিয়েবল। রিসার্চের ক্ষেত্রে এই ভ্যারিয়েবলগুলো সিলেক্ট করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর উপর অনেক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে। যে সেক্টর নিয়ে রিসার্চ করা হবে, সেই সেক্টরের সাথে রিলেটেড ভ্যারিয়েবলগুলো খুঁজে বের করে অবজার্ভ করতে হবে।

*** Types of Variable

1) Qualitative Variable
2) Quantitative Variable

(ভ্যারিয়েবল নিয়ে ডিটেইলস অন্য পোস্টে লিখব।)

** Write Research objective, questions & Hypothesis:

রিসার্চ অব্জেক্টিভ কে রিসার্চ কুয়েশ্চনের মাধ্যমে প্রশ্নরুপে রিপ্রেজেন্ট করা হয়, যা রিলেটেড হাইপোথিসিস ঠিক করে নিতে সাহায্য করে। রিসার্চ কুয়েশ্চনগুলো খুব অস্পষ্ট হয়।

তাই প্রব্লেম ডেফিনিশনের মাধ্যমে রিসার্চ কুয়েশ্চন কে ক্লিয়ারলি বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে স্পেসিফিক হাইপোথিসিস ডেভেলপ করা সম্ভব হয়।

How Much Time should be spent on Problem Definition?

প্রব্লেম ডেফিনিশন ঠিক করতে কতটা সময় নিবে এটা নির্ভর করে রিসার্চের বাজেট, সমস্যার জটিলতা এবং ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তের উপর। সমস্যা যত কঠিন হবে, তত বেশি সময় প্রব্লেম ডেফিনিশন ঠিক করতে ব্যয় হবে। যদিও ম্যানেজমেন্ট রিসার্চদের উপর বিরক্ত হয় বেশি সময় নিলে, তবে নির্ভুল সমাধান চাইলে, সমস্যা খুঁজে বের করায় সময় দিতেই হবে।


Spread the love
খাতুনে জান্নাত আশা
This is Khatun-A-Jannat Asha from Mymensingh, Bangladesh. I am entrepreneur and also a media activist. This is my personal blog website. I am an curious woman who always seek for new knowledge & love to spread it through the writing. That’s why I’ve started this blog. I’ll write here sharing about the knowledge I’ve gained in my life. And main focus of my writing is about E-commerce, Business, Education, Research, Literature, My country & its tradition.
https://khjasha.com

2 thoughts on “রিসার্চ বা গবেষনা (The Problem Definition Process)

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this: