You are here
Home > Blog > খান একাডেমি-বিশ্বমানের অনলাইন শিক্ষা প্লাটফর্ম

খান একাডেমি-বিশ্বমানের অনলাইন শিক্ষা প্লাটফর্ম

Spread the love

“ইউটিউব? সে তো বিড়ালের পিয়ানো বাজানো ভিডিও, আর বিনোদনের জায়গা, সেখানে পড়ালেখার ভিডিও আবার কেউ দেখে নাকি?”

বন্ধুদের থেকে ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে দেয়ার পরামর্শ পেয়ে এমনই মন্তব্য করেছিলেন “খান একাডেমি” র প্রতিষ্ঠাতা আমেরিকান বাঙালি সালমান খান।

ওই তো কিছু লোক যেমন Razib Ahmed (ই-ক্যাব এর ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট) স্যারের ফেসবুক স্টাডি স্ট্রাটেজি নিয়ে মন্তব্য করে-
“ফেসবুক তো ট্রলিং, আর ফানি ভিডিও দেখার জায়গা, এখানে আবার পড়াশোনা হয় নাকি!”

এই হয় নাকি প্রশ্নোত্তরের উত্তরটাকে নিজেই পজিটিভ করে দিতে পেরেছিলেন সালমান খান।

মনে পরে, আমি খান একাডেমি আর সালমান খান সম্পর্কে নিউজপেপারে পড়েছিলাম সেই স্কুলে পড়ি সময়। তখনও এটা এতোটাও আলোড়িত হয় নি বিশ্বে। সালমান খান এটা শুরুর জার্নিটা শেয়ার করেছিলেন সেই আর্টিকেলে।

ঘটনাটা ছিল এমন-


২০০৪ সালের কথা। ওর এক কাজিন অঙ্কে বেশ কাঁচা, এ নিয়ে খুব চিন্তিত হয়ে সালমানের শরনাপন্ন হয়। সালমান তাকে আশ্বাস দেয় যে, অঙ্ক বুঝিয়ে দিবে ওকে। কিন্তু ওর কাজিনের বাসা আর ওর বাসার দূরত্ব ছিল অনেক যে, গিয়ে পড়ানো সম্ভব নয়, তাই ফোন কলের মাধ্যমেই বুঝিয়ে দিত।

এতে কাজিনের বেশ উন্নতি হতে থাকে, আর এটা জেনে ওর অন্যান্য আরও ১৫ জন কাজিন বিভিন্ন জায়গা থেকে ওর কাছে অঙ্ক শিখতে আগ্রহী হয়। কিন্তু ফোন কলের মাধ্যমে তো এতোজন কে পড়ানো অসম্ভব, তাই সে ইয়াহু মেসেঞ্জারের ডুডল ইউজ করে ওদের সবাইকে পড়াতে শুরু করে।

কাজিন দের আগ্রহ আর অনুপ্রেরণায় মজা পেয়ে গেলেন তিনি, তাই তার এই শেখানোর জগৎ টাকে আরও বড় পরিসরে ভাবতে লাগলেন এবং একটা ওয়েবসাইট খুলে ফেললেন। সেটার মাধ্যমেই তখন চলত অঙ্ক শেখানোর কাজ।

কয়েক বছর এভাবে যাওয়ার পরই ওকে ওর বন্ধুরা ইউটিউবে ওর লেকচারগুলোর ভিডিও করে আপলোড দিতে বলে, তার জবাবেই পোস্টের শুরুতে লেখা উক্তিটি করেছিলেন বিশ্বসেরা ভার্চ্যুয়াল স্টাডি প্লাটফর্ম “খান একাডেমি” র জনক এবং বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের একজন হয়ে উঠা সালমান খান।

বিল গেটসও এই খান একাডেমির একজন গুনমুগ্ধ এবং তার মেয়েকে তিনি এর ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে উৎসাহিত করেন এবং তার ছেলেমেয়েরা এখানকার নিয়মিত শিক্ষার্থী।

খান একাডেমির কন্টেন্টগুলো বাংলা সহ আরও ২৬ টা ভাষায় অনুদিত হয়। সারাবিশ্বের ৪০ মিলিয়ন ছাত্র এবং ২ লাখ শিক্ষক প্রতিমাসে এই খান একাডেমির লেকচার ব্যবহার করে থাকে।

২০১৫ সালের জুলাই মাসে গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় ‘খান একাডেমি বাংলা ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের কাজ শুরু করে আগামী। ঘোষণা দেওয়া হয়, বাংলাদেশে খান একেডেমির কাজ শুরু করার। তারপর ২০ লাখ শব্দ ও ৬০০-এর বেশি ভিডিও বাংলা ভাষায় রূপান্তর করে পরীক্ষামূলক সংস্করণে এসেছিল খান একাডেমির বাংলা সংস্করণ। 

এর স্লোগান হচ্ছে-
"সকলের জন্য, সব জায়গায়- বিনামূল্যে বিশ্বমানের শিক্ষাদান"

Spread the love
খাতুনে জান্নাত আশা
This is Khatun-A-Jannat Asha from Mymensingh, Bangladesh. I am entrepreneur and also a media activist. This is my personal blog website. I am an curious woman who always seek for new knowledge & love to spread it through the writing. That’s why I’ve started this blog. I’ll write here sharing about the knowledge I’ve gained in my life. And main focus of my writing is about E-commerce, Business, Education, Research, Literature, My country & its tradition.
https://khjasha.com

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this: