You are here
Home > দেশি পণ্য > খাদি বা খদ্দর সমাচার

খাদি বা খদ্দর সমাচার

খাদি বা খদ্দর
Spread the love

খাদি কি?

 

“খাদি মানে হাতে কাটা সুতা দিয়ে হাতে বোনা কাপড়।”

খুবই সাধারণ সংজ্ঞা, কিন্তু এটাই খাদির প্রকৃত পরিচয় এবং বিশেষত্ব।

খাদি কিন্তু শুধুমাত্র একটা কাপড় না, এটা একটা প্রসেস৷ খাদির যে সংজ্ঞা আমি দিয়েছি, সেই বৈশিষ্ট্য ফুলফিল করে যে কাপড়/ ফেব্রিক তৈরি হবে সেটাই খাদি। অর্থাৎ সুতা তৈরি এবং কাপড় বুননের পুরো প্রসেসটাই হবে হাতের ব্যবহারে, এতে কোন মেশিনের ব্যবহার হবে না। সুতা হতে পারে কটন বা সিল্ক বা ওল যে কোনো, শুধুমাত্র প্রসেসটা সম্পূর্ণ হাতের ব্যবহারে হলেই সেটা খাদি।

তবে এই বৈশিষ্ট্যের খাদি এখন প্রায় বিলুপ্তপ্রায়। আমরা যে সব কাপড়কে খাদি বলে জানি, এর অধিকাংশই এখন মেশিনে তৈরি সুতা দিয়ে মেশিনে বোনা কাপড়। ট্যাক্সটাইল বিশেষজ্ঞরা এই কাপড়কে খাদি বলতে নারাজ, মেশিনের ব্যবহারে তৈরি কাপড়কে তারা খাদি পরিচয়ে পরিচিত হোক তা চান না। কারণ এটি খাদির প্রকৃত পরিচিতি এবং বৈশিষ্ট্যকে লুপ করে দিচ্ছে, খাদি তার স্বকীয়তা হারাচ্ছে, যা উচিত নয়।

আমাদের উচিত তাই খাদি স্বকীয়তা ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করা। নিজে এই সম্পর্কে জানা এবং অন্যদের জানানো। খাদি ইন্ডাস্ট্রিকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং এর সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনতে এর বিকল্প কিছু আর থাকতে পারে না।

 

মোটা কাপড়, মোটা ভাত!!!

এই স্লোগান ছিল সেই স্বদেশি আন্দোলনের সময়, যার মাধ্যমে বিপ্লব ঘটেছিল বাংলা তথা ভারতবর্ষের খাদি ইন্ডাস্ট্রির। তখন থেকেই আমাদের একটা ধারনা যে, খাদি মানেই বুঝি মোটা কাপড়। এই ধারনা আমার মাঝেও ছিল এতোকাল। কিন্তু ধীরে ধীরে এই মিথ ভাঙছে এখন, কারণ আমরা ইতিমধ্যেই আরামদায়ক খাদি পোশাকের সাথে পরিচিত হয়ে গেছি।

খাদি মানেই আমরা জেনেছি সম্পূর্ণরুপে হাতে তৈরি কাপড়।

 

হাতে বোনা এই খাদি তাহলে মোটা হবে নাকি সফট এবং সূক্ষ্ম হবে এটা কিসের উপর নির্ভর করছে?

 

এটি নির্ভর করছে আসলে সুতার কাউন্টের উপর। সুতার কাউন্ট যত কম খাদি তত মোটা, সুতার কাউন্ট যত বেশি খাদি তত সূক্ষ্ম আর সফট। আমাদের দেশে বর্তমানে ২০ কাউন্ট থেকে ১০০কাউন্ট বা এর বেশি কাউন্টের সুতায় খাদি ফেব্রিক তৈরি হয়ে থাকে, তবে ৪০-৬০ কাউন্টের সুতার খাদি সবচেয়ে বেশি এভিলেবল। যেহেতু কাউন্টের উপর খাদির সূক্ষ্মতা এবং আরাম নির্ভর করে, তাই সব ঋতুতে পরার উপযোগি করেই খাদি কাপড় তৈরি করা যায়। আর খাদির দামটাও কিন্তু এই কাউন্টের উপরই নির্ভরশিল, কাউন্ট যত বেশি হবে তত সফট খাদি আমরা পাব, পরে আরাম পাব বেশি এবং দামও তাই তত বেশি হবে।

 

মসলিন এর অপর নাম খাদি!

শিরোনাম দেখে অনেকেই হয়ত অবাকই হচ্ছেন ভেবে যে, কোথায় বিশ্ব সেরা মসৃণ কাপড় মসলিন আর কোথায় খাদি! আমিও প্রথম এই ব্যাপারে অবগত হয়ে ভীষণ রকম সারপ্রাইজড হয়েছিলাম।

গতকালের পোস্টে কিন্তু খাদি মানেই যে শুধু মোটা কাপড় না এই বিষয়টা ক্লিয়ার করেছি। এর আগের পোস্টে বলেছি, খাদি মানেই হল হাতে কাটা সুতা দিয়ে হাতে বোনা কাপড়, যেখানে মেশিনের কোন টাচই থাকতে পারবে না।

আর মজার ব্যাপার হল যে, প্রযুক্তির যত উন্নতিই হোক না কেনো আমাদের বাংলার হাজার বছরের গৌরবময় ঐতিহ্যের মসলিন কাপড় কোন মেশিনের সাহায্যে বোনা সম্ভব না। মসলিন বোনার জন্য হাতের টাচই লাগবে, মেশিন দিয়ে এতো সূক্ষ্ম সুতা বুনন করতে গেলে ভেঙে যাবে।

তাই যেহেতু মসলিন সম্পূর্ণরূপে হাতে কাটা সুতায় হাতে বোনা কাপড়, তাই এটিও মূলত খাদি। সাধারণত খাদি কাপড় ১০০ কাউন্টের উপরে বোনা হলেই সেটাকে মসলিন বলা যায়, তবে প্রাচীন খাদি মসলিন ছিল ৩০০-৬০০ কাউন্টের হাতে বোনা মসৃণ সূক্ষ্ম কাপড় যাকে  “Woven Air” বা “বোনা বাতাস” ও বলা হত।

চরকার সাথেই খাদির মূল বৈশিষ্ট্য, সম্পর্ক, গল্প এবং ইতিহাস সবই জড়িয়ে আছে। খাদি কাপড়ের সুতা এই হস্তচালিত চরকার মাধ্যমেই মূলত কাটা হয়।

চরকার ইতিহাস ৭হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো, তবে ১৯২১ সালে মহাত্মা গান্ধীর স্বদেশী আন্দোলনের মাধ্যমে এই উপমহাদেশে চরকার ব্যবহার ব্যাপকতা লাভ করেছিল। তখন এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছিল সামান্য বাঁশে তৈরি চরকা কতটা শক্তিশালী হতে পারে।

স্বদেশী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটটা খুব সংক্ষেপে বলছি এখানে।

স্বদেশী আন্দোলন ছিল মূলত যন্ত্রের মাধ্যমে তৈরি বিদেশি পন্য বিরুধী বিপ্লব।

ইংল্যান্ডের শিল্পবিপ্লব ছিল আমাদের দেশ তথা এই উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প ধ্বংসের মূল কারণ। ট্যাক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে যন্ত্রের আগমনের কারণে আমাদের অভিজাত ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী সিল্ক ইত্যাদি শিল্পে ধ্বস নেমেছিল। ইংরেজরা স্বল্পমূল্যে এদেশ থেকে ট্যাক্সটাইল কাঁচামাল যেমন- তুলা, সিল্ক ইত্যাদি নিয়ে মেশিনলুমে পোশাক তৈরি করে সেগুলোকে উচ্চমূল্যে এই উপমহাদেশে এনে বিক্রি করতে শুরু করে৷ আমাদের নিজস্ব পোশাকের সংস্কৃতি ছাপিয়ে তখন তাদের সাহেবি পোশাকের প্রচলন শুরু করেছিল তারা, বাজার সয়লাভ ছিল মেশিন মেইড ব্রিটিশ পোশাকে। এভাবে আমাদের তাঁতিদের হাতে তৈরি পোশাকের চাহিদা ও বাজার কমছিল, অর্থনীতি বিপর্যস্ত হচ্ছিল, বেকারত্বের সংখ্যা বাড়ছিল। ইংরেজরা তাদের যন্ত্রের শক্তি দিয়েই আমাদের অর্থনীতিকে ঘায়েল করে উপমহাদেশে প্রভাব বিস্তার করছিল। তখনই মহাত্মা গান্ধী তাঁর অহিংস অস্ত্র “চরকা” নিয়ে এই বিপর্যয় থামাতে এগিয়ে এসেছিলেন।

“চরকা” ছিল তখন এই উপমহাদেশের মানুষের প্রতিবাদের ভাষা, নিজেদের ঐতিহ্য এবং অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখার মূল অস্ত্র।

হস্তচালিত চরকায় কাটা কম কাউন্টের মোটা কটন সুতা দিয়ে তৈরি কম মূল্যের পোশাক ছিল তখন খুব সাধারণ, দরিদ্র মানুষের পোশাক। এটাই ছিল খাদি।

গান্ধীজি এভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন যে, হস্তচালিত চরকায় সুতা কাটাকে বেছে নেয়া মানে সব ধরনের আধুনিক প্রযুক্তিকে এভোয়েড করা না, বরং এটি আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্য ও পোশাক শিল্পকে বাঁচানোর প্রয়াস। তিনি বলেছিলেন, যে যন্ত্র আমাদেরকে ইংল্যান্ড নির্ভর করে দিচ্ছে, আমরা সেই যন্ত্রচালিত সব ধরনের পন্যসামগ্রী বয়কট করব।

তাই তিনি নিজেই নিজের কাপড় চরকায় সুতা কেটে নিজে বুনতেন এবং সারা উপমহাদেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে গিয়ে এই চরকায় সুতা কাটার প্রশিক্ষন দিয়েছিলেন। সেই সময়ই কুমিল্লায় এসেছিলেন তিনি। কুমিল্লার খাদিশিল্পের সমৃদ্ধ যাত্রা শুরু হয়েছিল তখন থেকেই।

এমনই ছিল স্বদেশী বিপ্লব যে, সারা উপমহাদেশের মানুষ তখন ইংরেজদের সেই সব মেশিন মেইড সাহেবি কাপড় পুড়িয়ে চরকায় কাটা সুতায় বোনা মোটা খাদি কাপড় পরে প্রতিবাদ করেছিল।

১৯২১ সালে মহাত্মা গান্ধী যেভাবে মেশিন মেইড বিদেশি পন্যের বিরুদ্ধে ভয়েস রেইজ করেছিলেন, তেমনি ভাবে আমাদের রাজিব আহমেদ স্যার ২০১৪ সাল থেকে দেশি পন্য নিয়ে চিন্তা করছেন, এই শিল্পকে সমৃদ্ধ করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। খাদি নিয়ে আমি পড়তে গেলেই তাই স্যারের চেষ্টার কথা, কষ্টের কথা মনে পরে যায়।

চরকায় কাটা সুতা দিয়ে হ্যান্ডলুম তাঁতে বোনা কাপড়ই খাদি। আমি বার বার খাদির এই সংজ্ঞা দিচ্ছি সবার মাথায় গেঁথে যাওয়ার জন্য। কারণ বর্তমানে এই বৈশিষ্ট্যের খাদি বিলুপ্ত প্রায় বলা যায়। এর পেছনে অন্যতম প্রধান এবং আমাদের কমন সমস্যা- কাঁচামাল এবং শ্রমিকের অভাব। চরকায় সুতা কাটার জন্য কার্পাস তুলাই যখন অপর্যাপ্ত তখন সুতা কাটার লোকের অভাব হওয়াও অস্বাভাবিক না। মেশিনে তৈরি পোশাকের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় হ্যান্ডলুম তাঁতের পোশাক এবং এর শ্রমিকরা হারিয়ে যাচ্ছে।

নোয়াখালী এবং কুমিল্লায় হাতে গোনা কিছু জায়গায় এখন শুধুমাত্র এই ট্র‍্যাডিশনাল ওয়েতে পিউর খাদি বলতে যা বোঝায় তা বোনা হচ্ছে। বাকি যা খাদি নামে আমরা পাচ্ছি তা হল, মিক্সড ফেব্রিক৷ এগুলোর টানায় চরকা কাটা সুতা ব্যবহার করলেও বাইনে ব্যবহার হচ্ছে মেশিনে তৈরি সুতা।

আমাদের দেশে বর্তমানে নোয়াখালীর গান্ধী আশ্রম এবং কুমিল্লার চান্দিনা ও দেবিদ্বার এলাকায় চরকা কাটা সুতায় সম্পূর্ণ হ্যান্ডলুম যে খাদি তৈরি হয়, সেগুলো ৪০-৬০ কাউন্ট সুতায় বোনা হয়। এর থেকে বেশি কাউন্টের সুতা আমাদের দেশে এভেইলেবল না। তাই পাতলা খাদি তৈরি করার জন্য ৮০-১০০ কাউন্টের সুতা আমদানি করা হয়।

আমাদের দেশে কি তাহলে পাতলা খাদি কাপড়  তৈরির উপযোগী সুতা উৎপাদন সম্ভব না! কেন নয়! অবশ্যই সম্ভব। ইতিমধ্যে তা তৈরিও হচ্ছে।

প্রাচীন মসলিনকে ফিরিয়ে আনার যে উদ্যোগ সরকার নিয়েছিল, এই প্রজেক্টের আওতায় অনেক গবেষণার পর প্রাচীন মসলিন তৈরি সম্ভব না হলেও কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব হয়েছে অনেকটাই। নতুন তৈরি এই মসলিন শাড়ি ৩০০ কাউন্টের সুতায় তৈরি হয়েছে, যা পুরোপুরি চরকা কাটা সুতা। কুমিল্লায়ই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নারী শ্রমিকরা নতুন এই মসলিন পুনোরুদ্ধার প্রকল্পে চরকার মাধ্যমে সুতা কেটে চলেছেন দিন ভর, আর ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী খাদি মসলিনকে।

তাই আশা করা যায়, এভাবে সরকারি সহযোগীতায় ধীরে ধীরে আবার খাদি এবং মসলিন তাদের স্বরূপে নিজ বৈশিষ্ট্য নিয়ে ফিরবে বিশ্বজয়ের জন্য। আমরা যত বেশি এই বিষয়গুলো নিয়ে সিরিয়াস আলোচনা করব, তত দ্রুত এগুলো ফিরবে।

* খাদি মানেই মসলিন না, বরং মসলিনকে আপনি সবচেয়ে পাতলা, সূক্ষ্মতম এবং স্বচ্ছ খাদি ফেব্রিক বলতে পারেন।

দয়া করে এটা নিয়ে কনফিউজড হবেন না। আমরা আসলে আমাদের ফেব্রিক নিয়ে এতো কম জানি যে, খুব দ্রুত কনফিউজড হয়ে যাই। কনফিউশন ক্লিয়ার করারও সুযোগ খুব বেশি নেই পর্যাপ্ত সোর্সের অভাবে। তাই যখন যেটুকু জানার সুযোগ পাব আমরা সেটার মূল কনসেপ্টটার দিকে খেয়াল রাখব। মনযোগ দিয়ে পড়ে বুঝে মাথায় সেট করে নিব, তারপর অন্যদের মাঝে সেই সঠিক নলেজটাকে ছড়িয়ে দিব। আমরা সঠিক তথ্য না জানতে পারার কারণেই আমাদের ঐতিহ্যগুলো আজ স্বকীয়তা হারাচ্ছে, বিলুপ্ত হচ্ছে।

 

* মসলিন কি আসলে? এটার সংজ্ঞাটা ক্লিয়ার করছি সংক্ষেপে বৈশিষ্ট্য আকারে।

মসলিন –

* অবশ্যই তুলা থেকে উৎপন্ন সুতায় তৈরি হবে, মানে কটন সুতা যাকে বলি।

* মসলিন মানেই সেটা কটন হবে।

* প্রাচীন ঢাকাই মসলিন সুতার কাউন্ট ৩০০-৬০০ কাউন্ট পর্যন্তও হত।

* ঢাকাই মসলিন হত ফুটি কার্পাস জাতের তুলা থেকে। (এই জাতের তুলা গাছ বিলুপ্ত হয়েছিল। আবার এটাকে গবেষণার মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হয়েছে মসলিন পুনোরুদ্ধারের জন্য)

* অবশ্যই সম্পূর্ন হস্তচালিত চরকায় হস্তচালিত তাঁতে বোনা হবে।।

মূল কথা হচ্ছে, মসলিন নামটা ব্যবহার করতে পারবেন আপনি তখনই যখন সেটা সম্পূর্ণ কটন সুতার হবে, হাতে তৈরি হবে এবং উচ্চ কাউন্টের(মিনিমাম ১০০ কাউন্ট) সুতা হবে।

বর্তমানে পুরোনো সেই মসলিনকে সরকার অনেক বছর গবেষনার পর ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হচ্ছেন। এটা আমাদের জিআই পন্য, যা স্বমহিমায় উজ্জ্বল। পৃথিবীর কোথাও আর আমাদের মসলিনের সমতুল্য ফেব্রিক তৈরি হয় নি। কারণ এটার সাথে আমাদের দেশের প্রকৃতি, আবহাওয়া, জলবায়ু এবং তাঁতিদের দক্ষতা সবই সম্পর্কিত।

** বর্তমানে মসলিন নামে যে সব কাপড় আমরা পাই সেগুলো সিল্ক সুতায় বোনা। টানা ও বাইনে পিউর ন্যাচারাল সিল্ক সুতায় বোনা হলে সেটা মালভেরি সিল্ক বা কাতান সিল্কের সংজ্ঞায় পরে, এটা মসলিনের সংজ্ঞা বা বৈশিষ্ট্যের সাথে যায় না। আর আর্টিফিশিয়াল সিল্ক সুতায় তৈরি হলে তো তা মসলিন বলা ফেব্রিকের জন্য রীতিমতো অবমাননাকর। এগুলো ট্যাক্সটাইল বিশেষজ্ঞদের কথা, আমার না।

* খাদি মানেই কেন মসলিন বলতে পারব না?

কারণ সব খাদি কটন সুতায় তৈরি হয় না। সিল্ক বা উল সুতায়ও খাদি তৈরি হয় এবং খাদি কাপড় ১০কাউন্টের সুতায়ও তৈরি হয়।

তাই আপনি বলতে পারেন, মসলিন এক প্রকার খাদি, কিন্তু খাদি মানেই মসলিন না। 😊

 


Spread the love
খাতুনে জান্নাত আশা
This is Khatun-A-Jannat Asha from Mymensingh, Bangladesh. I am entrepreneur and also a media activist. This is my personal blog website. I am an curious woman who always seek for new knowledge & love to spread it through the writing. That’s why I’ve started this blog. I’ll write here sharing about the knowledge I’ve gained in my life. And main focus of my writing is about E-commerce, Business, Education, Research, Literature, My country & its tradition.
https://khjasha.com

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this: